ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘস্থায়ী পারমাণবিক বিরোধ সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনায় মূল ‘নির্দেশিকা নীতি’ নিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, কোনো চুক্তি আসন্ন। বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ তথ্য জানিয়েছেন।
আরাঘচির মন্তব্যের পর তেলের ভবিষ্যৎ মূল্য হ্রাস পেয়েছে এবং বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের চুক্তি ১ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে।
জেনেভায় আলোচনা শেষ হওয়ার পর আরাঘচি ইরানি গণমাধ্যমকে বলেন, “বিভিন্ন ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে, এই ধারণাগুলো গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করা হয়েছে, অবশেষে আমরা কিছু নির্দেশিকা নীতির উপর একটি সাধারণ চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি।”
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পারমাণবিক আলোচনায় ব্যবধান কমাতে ইরান আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত প্রস্তাব দেবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেনম “অগ্রগতি হয়েছে, তবে এখনো অনেক বিস্তারিত আলোচনা বাকি আছে।”
মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আরাঘচির পরোক্ষ আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছে ওমান।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে বলেছেন, ‘অনেক কাজ এখনো বাকি’ তবে ইরান এবং আমেরিকা ‘পরবর্তী স্পষ্ট পদক্ষেপ’ নিয়ে চলে যাচ্ছে।
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার লক্ষ্যে জেনেভায় মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়। চলতি মাসের শুরুতে ওমানে প্রথম দফায় ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা হয়েছিল।