সারা বাংলা

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে অংশ নে‌বেন হিরো আলম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় বগুড়া-৬ (সদর) আস‌নের উপনির্বাচনে নতুন করে প্রার্থীরা সরব হতে শুরু করেছে। এই কাতারে উঠে আস‌ছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমের নামও। বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে তিনি আমজনতা দলের হয়ে নয়, অন্য কোনো দলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান বলে জানিয়েছেন। 

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় মনোনয়নপত্রটি জমা দিতে পারেননি। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় আসনটিতে আবার নির্বাচন হতে যাচ্ছে। ফলে নতুন করে নির্বাচনের অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন হিরো আলম।

হিরো আলম বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমি নির্বাচন, সংগ্রাম করেছি। মার খেয়েছি। মানুষ কি এগুলো ভুলে গেছে? তখন আমি যদি সংগ্রাম করে নির্বাচনের মাঠে থাকতে পারি, তাহলে এখন কেন করব না। যেহেতু বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন হবে, তাই আমি আবার দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছি।”

তিনি বলেন, “এনসিপি কিনা এখনই বলব না। আমজনতা দল তো আছেই। অন্য দলের সাথেও কথা হচ্ছে। আবার জুলাই আন্দোলনে আমি আমি মাঠে থেকেছি। আপনারা চাইলে ইউটিউবে আমার ভিডিও দেখতে পারেন। দেখি কোন দল আমাকে মনোনয়ন দেয়। না হলে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করব।”

২০২৩ সালে বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন হিরো আলম। তবে দুটি আসনেই পরাজয় হয় তার। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনেও অংশ নিয়েও পরাজিত হন তিনি। এসব আসনে তাকে হারাতে হয় জামানত। পরের বছর বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনেও ডাব প্রতীকের প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম জামানত হারিয়েছেন।

এর আগেও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া- ৪ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন হিরো আলম। যদিও পরে 'অনিয়মের অভিযোগ তুলে' নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

বগুড়া সদরের এরুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা হিরো আলম শৈশবে চানাচুর বিক্রি করতেন। পরে তিনি সিডি বিক্রি এবং ডিশ সংযোগের ব্যবসা করেন। একসময় নিজেই মিউজিক ভিডিও তৈরি করে ডিশ লাইনে সম্প্রচার শুরু করেন। ইউটিউবে প্রায় ৫০০ মিউজিক ভিডিও ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি।