ছয়জন মন্ত্রী, মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা এবং দুইজন প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসেবে নয়জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের নিজ নিজ অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে এই নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ১৯ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে এসব নিয়োগের তথ্য জানায়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা বা প্রতিমন্ত্রী যতদিন পদে বহাল থাকবেন কিংবা এপিএস পদে রাখার অভিপ্রায় পোষণ করবেন, ততদিন এসব নিয়োগ কার্যকর থাকবে।
নিয়োগপ্রাপ্তরা চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ অনুযায়ী ৯ম গ্রেডে ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা বেতন স্কেলে সুযোগ-সুবিধা পাবেন। জনস্বার্থে জারি করা এসব আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ইউনুস আলী। তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাংগী উপজেলার বেউরঝারী গ্রামের বাসিন্দা। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের এপিএস হয়েছেন মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। তার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আকবর হোসেন। তিনি ভোলার লালমোহন উপজেলার বাসিন্দা। ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আল মুনজির বিন ওবায়েদ। তার বাড়ি রাজশাহীর বোয়ালিয়া এলাকায়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানমের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আবদুল আউয়াল। তিনি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা। খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদের এপিএস হয়েছেন মো. আমিনুল ইসলাম। তার বাড়ি কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায়।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মীর সোলাইমান। তিনি ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বাসিন্দা। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. তৌহিদুল ইসলাম। তার বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায়।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. খাইরুল আমিন। তিনি বর্তমানে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে উপ-সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত।