টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বাছাই পর্ব পেরিয়ে যাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে এবারের বাছাই পর্ব বাংলাদেশের জন্য ছিল অন্যরকম এক সাফল্য।
নেপালে এবারের প্রতিযোগিতায় অপ্রতিরোধ্য ছিল বাংলাদেশ। সাত ম্যাচের একটিতেও হারেনি। প্রতিটি ম্যাচে শুধু জয়-ই পায়নি, অসাধারণ ও দাপুটে ক্রিকেট উপহার দিয়েছেন নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। তাতে বিশ্বকাপের টিকিট মিলে যায় খুব সহজেই।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে জুন-জুলাইয়ে হবে নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। প্রথমবার ১২ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে আসর। মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের গ্রুপ ও ফিক্সচার চূড়ান্ত করে ঘোষণা করেছে আয়োজকরা। বাংলাদেশ রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। পাকিস্তান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস রয়েছে বাংলাদেশের গ্রুপে।
বাছাই পর্ব পেরিয়ে মূল মঞ্চে খেলার রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যাচ্ছে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিকে। সেই সঙ্গে প্রথমবার ইংল্যান্ড খেলার আবেগও কাজ করছে তার। এছাড়া বিশ্বকাপে ভালো করার চ্যালেঞ্জটাও অনুভব করা শুরু করেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক, ‘‘আমরা আগে কখনও ইংল্যান্ডে খেলিনি, তাই আমরা রোমাঞ্চিত- তবে জানি এটি আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। এই বড় আসরের জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে আমরা সেরা ক্রিকেট খেলতে চাই এবং দেশের জন্য ম্যাচ জিততে চাই।”
শক্তিশালী গ্রুপে পড়লেও বাছাই পর্বের পারফরম্যান্সে বড় আশা দেখাচ্ছে বাংলাদেশকে, ‘‘আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গায় করে নিতে পেরে আমরা সত্যিই খুব খুশি। দল যেভাবে প্রতিটি ম্যাচে দাপট দেখিয়ে খেলেছে, তাতে আমি ভীষণ গর্বিত।’’
২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ছয় আসরে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচে ৩টিতে জিতেছে। এবার বাংলাদেশের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে নিজেদের বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে তুলে ধরার।