পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, “অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খালের দখল উদ্ধার করে খালের হারানো ঐতিয্য ফিরিয়ে আনা হবে। খাল পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি খালের পাড় সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। খাল খনন, উন্নয়ন ও সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে কাজে লাগিয়ে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যেোগ নিতে হবে।”
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কেরাণীগঞ্জের শুভাঢ্যা খাল ও আঁঠি খাল পুনঃখনন এবং খালের উভয় পাড় সুরক্ষা কাজ পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “এই মুহূর্তে চলমান প্রকল্পের মাধ্যমে খাল খনন-পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশব্যাপী খাল খননে প্রকল্প নেওয়া হবে। শুভাঢ্যা খাল ও আঁটি খালের কাজ দ্রুত সমাপ্ত হবে।”
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল-পুকুর-জলাশয় খনন-পুনঃখনন কর্মসূচি দিয়েছেন।”
খাল খনন টেকসই করা, মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভর, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিক ও আধুনিক কর্মকৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “বর্তমান সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং ৫ কৌটি বৃক্ষরোপণে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।”
খাল খনন-পুনঃখনন করা হলে চাষাবাদে সেচের ব্যবস্থা হবে, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে পাবে এবং জলবদ্ধতা দূরীরকরণ হবে বলে তিনি জানান।