মার্কিন-ইসরাইলি বিমান হামলায় প্রাণ হারানো ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং স্কুলগামী শিশুসহ সকল নিহতদের স্মরণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
আধিপত্যবাদবিরোধী মঞ্চের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি। জানাজা শেষে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
জানাজার শুরুতে জাবি আধিপত্যবাদবিরোধী মঞ্চের আহ্বায়ক আনজুম শাহারিয়ার বলেন, “আধিপত্যবাদবিরোধী মঞ্চ থেকে আমরা সবসময় বৈশ্বিক, সাংস্কৃতিক ও সামরিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এসেছি। ইরানের মতো একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে মার্কিন-ইসরাইলি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনে আলী খামেনিসহ অর্ধশতাধিক স্কুলগামী শিশুকন্যা নিহত হয়েছে। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। মুসলিম উম্মাহর নেতাসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এই জানাজা ও দোয়ার আয়োজন করেছি।”
জানাজা শেষে জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, “মুসলিম উম্মাহ আজ একটি সংকটময় সময় অতিক্রম করছে। মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি সমগ্র মুসলিম উম্মাহর নেতা হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। তার ঐক্য, ন্যায়বিচার ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী অবস্থান মুসলিম জাতির জন্য প্রেরণার ছিল। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”
এ সময় তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা করে বলেন, “ইরানের ওপর হামলার পর আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার যে বিবৃতি দিয়েছে, আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। আমরা এমন অবস্থান চাই না, যেখানে মজলুমদের পাশে না দাঁড়িয়ে জালিমদের পক্ষ নেওয়া হয়। সরকারকে তাদের বিবৃতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছি।”