ইরানের বিরুদ্ধে চলমান ভয়াবহ হামলা প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই অভিযানে আন্তর্জাতিক মহলের পূর্ণ সমর্থন ছিল। তিনি বলেন, “সবাই আমাদের পাশে ছিল।” খবর আল-জাজিরার।
সোমবার (২ মার্চ) হোয়াইট হাউজের ইস্ট রুমে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে অপারেশন এপিক ফিউরির সাফল্য ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের অবস্থান তুলে ধরতেই তিনি এমন মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, “এই অসুস্থ ও অশুভ শক্তি যে অসহনীয় হুমকি তৈরি করেছিল, তা নির্মূল করার এটাই ছিল আমাদের শেষ এবং শ্রেষ্ঠ সুযোগ।”
তিনি জানান, তাদের ‘লক্ষ্য সুস্পস্ট’, যার মধ্যে প্রথম লক্ষ্য হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা।
ট্রাম্প বলেন, “দ্বিতীয়ত, আমরা তাদের নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করছি; আমরা ইতিমধ্যে ১০টি জাহাজ ধ্বংস করেছি। সেগুলো এখন সমুদ্রের তলদেশে। তৃতীয়ত, আমরা এটি নিশ্চিত করছি যে বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী মদতদাতা দেশ যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে না পায়।”
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের একটি ‘বিশাল ঢেউ’ এখনও আসা বাকি। বর্তমান অভিযানকে তিনি কেবল একটি বৃহত্তর হামলার শুরু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা এখনও তাদের ওপর শক্তভাবে আঘাত করা শুরুই করিনি। বড় ঢেউটি এখনও আসেনি। সেই বড় হামলাটি খুব শিগগির আসছে।”
তিনি স্বীকার করেন যে, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ‘সবচেয়ে বড় বিস্ময়’ ছিল প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলা। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন এবং জর্ডানের ওপর এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা অবাক হয়েছিলাম। আমরা তাদের (আরব দেশগুলোকে) বলেছিলাম, ‘আমরা বিষয়টি সামলে নেব,’ কিন্তু এখন তারা নিজেরাও লড়তে চায় এবং তারা বেশ আক্রমণাত্মকভাবে লড়াই করছে। তারা খুব সামান্যই জড়িত হতে চেয়েছিল, কিন্তু এখন তারা এতে যুক্ত হওয়ার জন্য জেদ ধরছে।”