অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জানিয়েছেন, সংঘাতের প্রথম রাতে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক সদর দপ্তরে ইরানের ড্রোন হামলা হয়েছে, তবে সেখানকার সব কর্মী সুরক্ষিত আছেন। খবর এবিসি নিউজের।
একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্লেস জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে মাত্র ২৪ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত আল মিনহাদ বিমান ঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়।
তিনি বলেন, “প্রথম রাতে কিছু ড্রোন ওই ঘাঁটিতে আক্রমণ করেছিল। আল মিনহাদে আমাদের একটি সদর দপ্তর রয়েছে যেখানে অনেক বছর ধরে বেশ কিছু অস্ট্রেলীয় কর্মরত আছেন। তারা সবাই নিরাপদ এবং অক্ষত আছেন।”
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এক যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর পুরো অঞ্চলটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।
ইরান গত সপ্তাহান্তে সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে বিশ্বের ব্যস্ততম দুবাই বিমানবন্দর এবং জেবেল আলী সমুদ্রবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেবেল আলী বন্দরটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং বিমানবাহী রণতরী পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ ইরানের বিরুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে সমর্থন দিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, আকাশসীমা বন্ধ থাকার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার নাগরিক আটকা পড়েছেন যারা বর্তমানে সেখান থেকে বিমানে ফিরতে পারছেন না।
দুবাইয়ের কাছে অবস্থিত আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিটি ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রেলীয় বাহিনী ব্যবহার করছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে অস্ট্রেলিয়ার সামরিক কার্যক্রমের প্রধান হাব বা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
অস্ট্রেলীয় সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, যেকোনো সময় সেখানে প্রায় ৮০ জন অস্ট্রেলীয় অবস্থান করেন।