আন্তর্জাতিক

সাবমেরিনসহ ১৭ ইরানি জাহাজ ধ্বংস: মার্কিন কমান্ডার

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর কমান্ডর এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত ১৭টি ইরানি জাহাজ ধ্বংস করেছে। খবর সিএনএনের। 

মঙ্গলবার  (৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা বার্তায় বলেন, “সহজ কথায়, আমাদের লক্ষ্য হলো সেই সব কিছু ধ্বংস করা যা আমাদের ওপর আক্রমণ করতে পারে।” তিনি বি-২ এবং বি-১ বোমারু বিমানের মাধ্যমে চালানো ‘নিখুঁত হামলার’ বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মার্কিন কমান্ডার আরো যোগ করেন, “আমরা ইরানের নৌবাহিনীকেও ডুবিয়ে দিচ্ছি- পুরো নৌবাহিনীকে। এ পর্যন্ত আমরা ১৭টি ইরানি জাহাজ ধ্বংস করেছি, যার মধ্যে ইরানের সবচেয়ে সচল সাবমেরিনটিও রয়েছে, যার এক পাশে এখন বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে।”

কুপার বলেন, “কয়েক দশক ধরে ইরানি শাসনব্যবস্থা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে আসছে। আজ আরব উপসাগর, হরমুজ প্রণালী বা ওমান উপসাগরে ইরানের একটি জাহাজও সচল নেই। এবং আমরা থামব না।”

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার চার দিনের মাথায় মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার এই মন্তব্য করলেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তারা মতে, ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস করা এই অভিযানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

কুপার জানান, এই মিশনে ৫০ হাজারেও বেশি মার্কিন সেনা এবং ২০০-র বেশি যুদ্ধবিমান নিয়োজিত রয়েছে এবং ২৪ ঘণ্টা বিরতিহীনভাবে হামলা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, “এই অভিযান শুরু হওয়ার ১০০ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে আমরা দুই হাজারেও বোমা ব্যবহার করে প্রায় দুই হাজারটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছি।”

কুপার আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমাবর্ষণের পাল্টা জবাবে ইরান ৫০০-র বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুই হাজারেরও বেশি ড্রোন ছুড়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি দাবি করেন, তেহরানের ‘আমাদের আঘাত করার ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে’।