নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের পর ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নয় বছরের শিশুটি স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকার বিকেলে শিশুটিকে ঘরে রেখে তার মা বাড়ির সামনের মাঠ থেকে ছাগল আনতে যান। কিছুক্ষণ পর বাড়িতে ফিরে এসে তিনি দেখেন, ঘরের আড়ার সঙ্গে মেয়ের দেহ ঝুলছে এবং তার শরীর দিয়ে রক্ত ঝরছে। মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই গ্রামের দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত শিশুটির মা বলেন, “আমি মেয়েকে ঘরে রেখে মাঠে ছাগল আনতে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে সে ঝুলছে। তার পরনের কাপড় এলোমেলো ছিল এবং শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল। আমি আমার সন্তানের খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
বারহাট্টা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদির জানান, পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঝুলিয়ে রাখার আগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”