আন্তর্জাতিক

ইরানের ড্রোন হামলায় বাহরাইনের পানি শোধন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত

ইরানের ড্রোন হামলায় বাহরাইনের পানি শোধন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রবিাবর (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের একটি ড্রোন হামলায় দেশটির একটি পানি শোধন কেন্দ্রের বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

এই ঘটনার মাত্র একদিন আগেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে একটি স্বাদু পানি শোধন কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। তিনি এই ঘটনাকে একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বাহরাইনের এই বিবৃতির পর ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর অধিকাংশ মানুষ তাদের পানির চাহিদার জন্য মূলত শোধিত সমুদ্রের পানির ওপর নির্ভর করে।

 

৬ মাস ‘তীব্র যুদ্ধ’ চালানোর সক্ষমতা রাখে ইরান: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন, তার দেশের সামরিক বাহিনী বর্তমান গতিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে টানা ছয় মাস ‘তীব্র যুদ্ধ’ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে।

ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে। খবর আল-জাজিরার।

নাইনি বলেন, ইরান এ পর্যন্ত তাদের ‘প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, আগামী দিনগুলোতে ইরান তাদের ‘উন্নত এবং সচরাচর ব্যবহৃত হয় না এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহার করবে।

বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আহত ৩

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের একটি হামলার পর দেশটির মুহররাক শহরে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

রবিবার (৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে মন্ত্রণালয় জানায়, আকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ার কারণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

মুহররাক শহরটি বাহরাইনের তৃতীয় জনবহুল শহর।

আরব আমিরাতে নতুন করে ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কিছুক্ষণ আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে যে বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে, তা মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের নিক্ষিপ্ত বস্তুগুলো (ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন) মাঝ আকাশে ধ্বংস করার ফলে সৃষ্টি হচ্ছে।

রিয়াদের কাছে আরো ৩ ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদি আরবের

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কিছুক্ষণ আগে জানিয়েছে, রিয়াদের কাছে আরো তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করার মাধ্যমে তারা আরেকটি হামলা নস্যাৎ করেছে।

এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মন্ত্রণালয়টি রিয়াদের কূটনৈতিক এলাকায় একটি ড্রোন হামলা প্রতিহত করার এবং অন্তত ১৫টি ড্রোন গুলি করে নামানোর ঘোষণা দিয়েছিল।

ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন বাজছে

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) নতুন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘোষণা দেওয়ার পর নেগেভ মরুভূমিসহ দক্ষিণ ইসরায়েলে বিমান হামলার সাইরেন সক্রিয় করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরার। 

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করছে।

এদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক্স-এ ঘোষণা করেছে যে, তারা ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে এবং জনগণকে জরুরি সতর্কতা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে।

কুয়েতের দুই সীমান্ত নিরাপত্তা কর্মী নিহত

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে দেশটির দুইজন সীমান্ত নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন। কুয়েতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল। খবর আল-জাজিরার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কুয়েত নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়, আজ রবিবার (৮ মার্চ) ভোরবেলা ওই দুইজন নিহত হন। তবে তাদের মৃত্যুর সঠিক পরিস্থিতি এবং স্থান সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

মন্ত্রণালয় নিহতদের নাম প্রকাশ করেছে। তারা হলেন- ওয়ারেন্ট অফিসার আবদুল্লাহ ইমাদ আল-শাররাহ এবং মেজর ফাহদ আব্দুল আজিজ আল-মাজমায়েদ। তাদের মৃত্যুতে মন্ত্রণালয় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।

কুয়েত বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে ড্রোন হামলা

কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। 

রবিবার (৮ মার্চ) কুয়েতি সামরিক বাহিনীর এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি পোস্ট অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন সরকারি মুখপাত্র বলেন, “কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকগুলো ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে, যা মূলত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে সরাসরি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।”

তিনি জানান, বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে এবং পাবলিক ইনস্টিটিউশন ফর সোশ্যাল সিকিউরিটি’র প্রধান ভবনে ড্রোন হামলার পর সৃষ্ট দুটি বড় ধরনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন ফায়ারফাইটাররা।

মুখপাত্র আরো জানান, কিছুক্ষণ আগে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করেছে ও ধ্বংস করেছে।