টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ জয়ের আনন্দ কাটতে না কাটতেই সামনে নতুন লক্ষ্য স্থির করেছে ভারতীয় দল। দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, এবার তাদের নজর ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জয়ের দিকে।
নিউ জিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এই লক্ষ্য ঘোষণা করেন ভারত অধিনায়ক। তার মতে, বিশ্বকাপ জয়ের পর এখন ভারতের পরবর্তী বড় লক্ষ্য অলিম্পিকের স্বর্ণপদক।
ফাইনালে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ২৫৫ রান। পরে দুর্দান্ত বোলিংয়ে মিচেল স্যান্টনারের নিউ জিল্যান্ডকে ১৫৯ রানে অলআউট করে ৯৬ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সূর্যকুমারের দল।
ট্রফি জয়ের পর উচ্ছ্বসিত সূর্যকুমার বলেন, “পরবর্তী লক্ষ্য অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জেতা। পাশাপাশি সেই বছরই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপও রয়েছে।”
৮ মার্চ অনুষ্ঠিত ফাইনালে জয় পাওয়ার মাধ্যমে ভারত ইতিহাসও গড়ে। প্রথম দল হিসেবে তারা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখে। একই সঙ্গে স্বাগতিক দেশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এই ট্রফি জেতার কীর্তিও গড়ে ভারত।
এটি ছিল ভারতের তৃতীয় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা, ফলে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দলও এখন ভারত।
১২৮ বছর পর অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট: আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছে, ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে আবারও অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ক্রিকেট। দীর্ঘ ১২৮ বছর পর অলিম্পিক মঞ্চে ফিরছে এই জনপ্রিয় খেলা।
পুরুষ ও নারী দুই বিভাগেই অংশ নেবে ৬টি করে দল। প্রতিটি বিভাগে মোট ৯০ জন ক্রিকেটার অংশ নেবেন। অলিম্পিকে ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটে।
লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেটের পাশাপাশি আরও ৪টি নতুন খেলা যুক্ত হচ্ছে- স্কোয়াশ, ফ্ল্যাগ ফুটবল, বেসবল/সফটবল এবং ল্যাক্রোস।
ক্রিকেটের জন্য অলিম্পিকে যোগ্যতা নির্ধারণের নিয়ম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে যেহেতু প্রায় ১০০ দেশের মধ্যে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হয়, তাই বাছাইপর্ব বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্বাগতিক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি অলিম্পিক ক্রিকেটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
২০২৮ সালের অলিম্পিকে মোট ৩৫১টি পদক ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে, যা প্যারিস অলিম্পিকের তুলনায় ২২টি বেশি। মূল অ্যাথলেট কোটা থাকবে ১০ হাজার ৫০০ জন। আর নতুন ৫টি খেলায় অংশ নেবেন অতিরিক্ত ৬৯৮ জন ক্রীড়াবিদ।