অর্থনীতি

নগদ অ্যাপে জাকাত ও অনুদানের সুবিধা

বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও আর্থিক অনুদান পাঠানোর সহজ সুবিধা দিচ্ছে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ ও নগদ ইসলামিক।

নগদ ও নগদ ইসলামিক অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিনই গ্রাহকেরা বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অনুদানের অর্থ পাঠাচ্ছেন। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি বেসিক ফোন ব্যবহারকারীরাও ইউএসএসডি কোড (*167#) ডায়াল করে প্রায় অর্ধশত প্রতিষ্ঠানে সহজেই তাদের জাকাত ও অনুদান পাঠাতে পারছেন।

পবিত্র রমজান মাসে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর পরিমাণ এবং লেনদেনের সংখ্যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। সাধারণত এই মাসে অধিক সওয়াবের প্রত্যাশায় মানুষ দান-সদকা বেশি করে এবং একই সঙ্গে জাকাতের বাধ্যবাধকতাও অনেকেই এ সময় পূরণ করে থাকেন।

এছাড়া, নগদ ও নগদ ইসলামিকের অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে গ্রাহকেরা তাদের বার্ষিক আয়, বিনিয়োগ, স্বর্ণ, ঋণ ও সম্পদের তথ্য দিয়ে সহজেই জাকাতের পরিমাণ হিসাব করতে পারেন।

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা নগদ বা নগদ ইসলামিক অ্যাপের ‘ডোনেশন’ অপশনে গিয়ে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্যে জাকাত ও অনুদান পাঠাতে পারছেন।

নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে যেসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অনুদান পাঠানো যায়, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— আল মারকাযুল ইসলামী, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্ট, তাসাউফ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, কে কে ফাউন্ডেশন, মাস্তুল ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, সাজিদা ফাউন্ডেশন, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জাকাত ফান্ড, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতি (জাকাত তহবিল) এবং মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিস।

এছাড়া, আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সারা বছরই নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করে আর্তমানবতার সেবায় অংশ নেওয়া যায়।

এ বিষয়ে নগদ ইসলামিকের শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, “আর্থিক ইবাদতের মধ্যে জাকাত সর্বশ্রেষ্ঠ ও ফরজ ইবাদত। আর রমজান মাসে জাকাত আদায় করা সবচেয়ে উত্তম। তাই নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে জাকাত প্রদান করে দারিদ্র্যপীড়িত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এটি একটি উপযুক্ত সময়।”

তিনি আরো বলেন, “অনেক মানুষ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সময় ও সুযোগের অভাবে অনেক সময় ঠিকভাবে জাকাত আদায় করতে পারেন না। আবার যারা অন্যভাবে আর্থিক সহায়তা দিতে চান, তাদের অনেক সময় কাকে বা কীভাবে দেবেন তা নিয়ে দ্বিধায় পড়তে হয়। নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাকাত ও অনুদান দেওয়া সম্ভব, যারা প্রকৃত অর্থেই মানুষের জন্য কাজ করছে।”

ইসলামিক জীবনধারা অনুসরণ করে মোবাইলে আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও নগদ ইসলামিক গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। রমজান মাসে হজ ও উমরাহ যাতায়াতের পেমেন্ট, ইসলামিক জীবন বীমার কিস্তি পরিশোধ, রোজা ও নামাজের সময়সূচি দেখা, বাংলা অর্থসহ আল কোরআন ও হাদিস পাঠসহ নানা সেবার সুবিধা নগদ ইসলামিকে পাওয়া যাচ্ছে।-বিজ্ঞপ্তি