সারা বাংলা

ধর্ষণচেষ্টার সালিশে ৫ হাজার টাকা ও ৫০ জুতার বাড়িতে মীমাংসা  

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠার পর সালিশ বৈঠকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ৫০টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।  

ভুক্তভোগী শিশু যে বিদ্যালয়ে পড়ে, তার প্রধান শিক্ষক সালিশ বৈঠকে নেতৃত্ব দেন। স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্ত যুবক রিপনকে (৩৫) ৫০টি জুতার বাড়ি দিয়ে সালিশ বৈঠকের রায় কার্যকর করেন। 

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে কলাপাড়া উপজেলার এক গ্রামে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার পর এ সালিশ বৈঠক হয়। সালিশকারী ব্যক্তিরা প্রভবাশালী হওয়ায় কেউ এ রায়ের প্রতিবাদ করতে পারেননি।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ওই গ্রামের একটি বাড়িতে ইফতারের আয়োজন করা হয়েছিল। চারিপাড়া গ্রামের রিপন ইফতারের দাওয়াতে গিয়ে আত্মীয়তার সুবাদে ওই শিশুর ঘরে গিয়ে তাকে জাপটে ধরে অন্ধকার স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে রিপনকে আটক করেন। 

সালিশ বৈঠকের বিষয়ে সেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ বলেছেন, “এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”