যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা তুলসি গ্যাবার্ড জানিয়েছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা ‘অক্ষত’ থাকলেও ‘অত্যন্ত দুর্বল’ হয়ে পড়েছে।
জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বব্যাপী হুমকি বিষয়ে বুধবার কংগ্রেসের এক শুনানিতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল গোয়েন্দা তথ্য সংক্রান্ত প্রথম প্রকাশ্য ব্রিফিং। এর একদিন আগে সন্ত্রাসবিরোধী এক শীর্ষ নেতা এই বলে পদত্যাগ করেন যে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো আসন্ন হুমকি সৃষ্টি করেনি।
দেশের গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়কারী গ্যাবার্ড জানান, যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে সম্ভাব্য সমস্যার আশঙ্কা করেছিল।
তিনি বলেন, “গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের শাসনব্যবস্থা আপাতদৃষ্টিতে অটুট মনে হলেও, এর নেতৃত্ব ও সামরিক সক্ষমতার ওপর আক্রমণের কারণে তা ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।”
সিআইএ, এফবিআই, ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি এবং ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির প্রধানদের পাশে উপস্থিত হয়ে ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ যখন বারবার জিজ্ঞাসা করেন যে তিনি ইরানকে একটি আসন্ন হুমকি হিসেবে দেখেছিলেন কিনা, তখন গ্যাবার্ড তার উত্তর দিতে অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, “কোনটি আসন্ন হুমকি এবং কোনটি নয়, তা একমাত্র প্রেসিডেন্ট-ই নির্ধারণ করতে পারেন।”