ঢাকার সদরঘাটে দুটি যাত্রীবাহী লঞ্চের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটন করে দায়ীদের শনাক্ত করতে কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ মার্চ সদরঘাটের ১৪ নম্বর পন্টুনের কাছে ঢাকা–ইলিশা (ভোলা) রুটের ‘আসা যাওয়া–৫’ নামক লঞ্চের সঙ্গে ঢাকা–দৌলতদিয়া–যশোরহাট রুটের ‘এমভি জাকির স্মার্ট–৩’ লঞ্চের সংঘর্ষ হয়।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় গঠিত এ তদন্ত কমিটিতে আছেন ১। মো. আবুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়— আহ্বায়ক ২। আব্দুল্লাহ আল-মামুন, পুলিশ সুপার, নৌ পুলিশ, ঢাকা অঞ্চল— সদস্য ৩। এস এম শাহেদ রেজা, পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ), বিআইডব্লিউটিএ— সদস্য ৪। মোহাম্মদ এহতেছানুল হক ফকির, ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার (সদরঘাট), নৌপরিবহন অধিদপ্তর— সদস্য ৫। এ কে এম শামসুজ্জোহা, সহকারী পরিচালক (অপারেশন), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, ঢাকা— সদস্য ৬। মো. মেহেদী হাসান, সহকারী সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়— সদস্য সচিব।
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। একইসঙ্গে আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।