খেলাধুলা

বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ড সফর বাতিল

জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশ দলের আয়ারল‌্যান্ড সফরের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেটি বাতিল হয়েছে। ইন্টারন‌্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম (এফটিপি) অনুযায়ী এই সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ছিল। তবে লজিস্টিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে ক্রিকেট আয়ারল‌্যান্ড পুরো সিরিজটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশের সিরিজ বাতিল হলেও আয়ারল্যান্ড তাদের গ্রীষ্মকালীন সূচিতে নিউ জিল‌্যান্ড, ভারত ও আগফানিস্তানকে আতিথেয়তা দেবে। বুধবার তারা সূচি চূড়ান্ত করেছে। সূচি অনুযায়ী, ২৭–৩১ মে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে তারা। এরপর ২৬ ও ২৮ জুন ভারতের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে। আর আগস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫, ৭, ১০, ১২ ও ১৪ তারিখে পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে আইরিশরা।

এর আগে ২০১৯ সালেও বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাতিল করেছিল আয়ারল্যান্ড। তখন একটি টেস্ট আয়োজন করতে প্রায় ১ মিলিয়ন ইউরো খরচ হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যদিও সফরটি পুরোপুরি বাতিল হয়নি; টেস্টের পরিবর্তে টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এবার সাদা বলের ছয় ম্যাচের পুরো সিরিজই বাতিল হয়ে গেল।

এই সিরিজ বাতিলের প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের ওপরও। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য প্রতিটি ওয়ানডে ম্যাচই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজটি পয়েন্ট অর্জনের একটি বড় সুযোগ হতে পারত। ফলে সিরিজটি না হওয়ায় কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়তে পারে দলটি।

এখন দেখার বিষয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ নেয়।

এদিকে আয়ারল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক অ‌্যান্ডি বালব্রাইন ইনস্টাগ্রামে হতাশা প্রকাশ করে লিখেছেন, “মিথ্যা বলব না, এই আন্তর্জাতিক গ্রীষ্মে মাত্র ৮টি হোম ম্যাচ পেয়ে আমি ভীষণ হতাশ।”

অন্যদিকে, ‘নৈতিক অস্বস্তি’ সঙ্গী করেই আফগানিস্তানকে আতিথেয়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আয়ারল্যান্ড। তালেবান সরকারের নারীদের প্রতি আচরণ নিয়ে তাদের বোর্ডে আপত্তি থাকলেও, সংগঠনের স্বার্থ বিবেচনায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।