ঈদের পরেই শুরু হয় বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান। যেকোনো আনন্দ উৎসবে যোগ দেওয়ার আগে চুলেও আনতে পারেন ফেস্টিভ লুক। চলতি ফ্যাশনে যোগ হয়েছে নানারকম হেয়ার অ্যাকসেসরিজ। জনপ্রিয়তা পেয়েছে মোগল আমলের মাথার অলংকার থেকে রঙিন ক্লিপও। তবে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসব অ্যাকসেসরিজের পরিমিত ব্যবহার করা ভালো। ট্রেন্ড হচ্ছে হাফ-আপ স্টাইলে পার্ল ক্লিপ, লো বান-এ গোল্ড পিন কিংবা ব্রেইডে ছোট অর্নামেন্ট। সুন্দর হেয়ারস্টাইলের শুরু হয় সঠিক প্রস্তুতি দিয়ে।
১. যেদিন চুল সাজাবেন, তার আগের রাত বা সকালে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। পরিষ্কার চুলে অ্যাকসেসরিজ ভালোভাবে বসে। ২. চুল পাতলা হলে গোড়ায় ভারী কন্ডিশনার ব্যবহার না করাই ভালো। মাঝখান থেকে শেষ অংশে কন্ডিশনিং করলেই যথেষ্ট। ৩. চাইলে লাইট লিভ-ইন সিরাম ব্যবহার করতে পারেন—এতে চুল মসৃণ হয়, আর অলংকারের সৌন্দর্যও ফুটে ওঠে। ৪. বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করলে চুল কম ভাঙে। ৫. রাতে হালকা করে বেণি করে রাখতে পারেন। এতে চুলে প্রাকৃতিক ওয়েভ আসে। ৬. সফট রোলার ব্যবহার করলে চুলে ভলিউম ও গ্রিপ তৈরি হয়, যা ক্লিপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। ৭. বেণি খোলার পর হালকা স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে চুল আরও প্রাণবন্ত লাগে।
হাফ আপ, হাফ ডাউন সাজের জন্য এই স্টাইলে পার্ল ক্লিপ বা ফ্লোরাল ব্যারেট দারুণ রোমান্টিক লুক দেবে। ব্রেইড (বেণি) ব্রেইড চুলে একটি সুন্দর গঠন তৈরি করে। এর মধ্যে ছোট ছোট পিন বা অলংকার লাইনে বসালে খুব স্টাইলিশ দেখায়। লুজ হেয়ার ও সিঙ্গেল ক্লিপ খোলা চুলে টেম্পলের পাশে একটি ক্লিপ ব্যবহার করলেই হয়ে যায় মিনিমাল কিন্তু এলিগেন্ট লুক। তবে খুব টাইট করে বাঁধবেন না। খেয়াল রাখবেন, অতিরিক্ত অলংকারে যেন চুলের সৌন্দর্য ঢাকা না পড়ে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠান থেকে ফিরে ঘুমানোর আগে সব হেয়ার অ্যাকসেসরিজ ধীরে ধীরে খুলে ফেলুন। চিরুনি ব্যবহারের আগে আঙুল দিয়ে জট ছাড়ান। লাইট সিরাম বা কয়েক ফোঁটা তেল মাঝামাঝি ও শেষ অংশে লাগাতে পারেন।