জাতীয়

ঈদের দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে 

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে। শনিবার (২০ মার্চ) সকাল থেকেই বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় দেখা গেছে। 

ফুলবাড়িয়া, গুলিস্তান এলাকায় দেখা গেছে,  হকার, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তা কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরতে ব্যস্ত। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ভোর থেকেই মানুষের ভিড় চোখে পড়ে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে একের পর এক লঞ্চ ভোলা, ইলিশা, চাঁদপুর ও বরিশালসহ অন্যান্য রুটে ছেড়ে গেছে।

ফুলবাড়িয়ায় কথা হয় সোহরাব নামের এক যাত্রীর সঙ্গে। তিনি একটি রাজধানী নামের একটি রেস্তোরাঁয় কর্মরত।

সোহরাব বলেন, “প্রতিবছর ঈদের দিন বাড়ি যাই। বরিশালের গৌরনদী ভাড়া ৫০০ টাকা, এখন নিচ্ছে ৭০০ টাকা। মানুষ বাধ্য হয়ে বেশি দিচ্ছে।”

কলিম উদ্দিন ফুটপাতের হকার। তিনি বলেন, “আমরা প্রতিদিনের রুটিন মাফিক কাজ করি। ঈদের আগে বাড়ি ফেরা কঠিন। আজ ঈদের দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে চাই। ভাড়া বেড়ে গেছে, কিন্তু বাড়ি যাওয়াটাও দরকার।” 

পরিবহন ও সড়ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে প্রশাসন সকাল থেকেই সচেতন। ফুলবাড়িয়া ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা তৌহিদ হোসেন বলেন,  “গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”

স্মৃতি আক্তার মিরপুর থেকে ফুলবাড়িয়া এসেছেন। যাবেন বরিশাল। তিনি বলেন, “আজ ঈদের দিন অনেক মানুষ বাড়ি যাচ্ছে। বকশিসের নামে ২০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন। গাড়ি ফুল হলে ছেড়ে যাবে। চাপের মধ্যে আছি। কখন সব সিটের টিকিট বিক্রি হবে সেই অপেক্ষায় আছি।”