ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরঘেষা অর্ধ লাখ চরাঞ্চলবাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে সদর উপজেলার পরানগঞ্জে ২০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় আসার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এই হাসপাতালে নিয়োগ হয়নি প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল। চালু করা হয়নি ইনডোর সেবা এবং রোগী ভর্তি কার্যক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর অবহেলার শিকার হাসপাতালটির কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এ তথ্য জানান ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের অবহেলার শিকার ২০ শয্যার পরানগঞ্জ হাসপাতালের ইনডোর সেবা চালুর জন্য ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। আশা করছি, বর্তমান সরকার প্রধান তারেক রহমানের একান্ত স্বদিচ্ছায় সদর উপজেলার চরাঞ্চলবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
এ সংক্রান্ত একটি আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন- “আমার নির্বাচনি এলাকা-১৪৯ ময়মনসিংহ-৪ (সদর) উপজেলাধীন ৪নং পরানগঞ্জ ইউনয়নে অবস্থিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি (২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল) মূলত বর্হিবিভাগীয় চিকিৎসা প্রদান করে থাকে। দেড় যুগের বেশি সময় ধরে স্বৈরাচার সরকারের আমলে এর ইনডোর বা ভর্তি সেবা বন্ধ রাখা হয়।
বর্তমানে এখানে সাধারণত স্বাস্থ্য সেবা নারী ও শিশু চিকিৎসাসহ প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়ে থাকে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হাসপাতালটির ইনডোর সেবা বা রোগী ভর্তির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমার নির্বাচনি এলাকার জনসাধারণের চিকিৎসার সুব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতালটি অতীব জরুরি ভিত্তিতে ইনডোর কার্যক্রম দ্রুত চালু করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।”