সারা বাংলা

শিক্ষার্থীদের চুল কাটানোর নির্দিষ্ট ‘স্টাইল’ নির্ধারণ করেছে বগুড়ার এক স্কুল

বগুড়ার কাহালু উপজেলার ভালশুন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মে (স্টাইল) চুল কাটানোর নির্দেশনা দিয়ে পোস্টারিং করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সেলুন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাঁটানো এ পোস্টার ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে নির্দেশনা কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। নির্দেশনা না মানলে শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

সম্প্রতি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ওই পোস্টার প্রকাশ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের জন্য চুল কাটানোর নির্ধারিত ধরণ বলে দেওয়া হয়েছে। মাথার সামনে ও পেছনের অংশে এবং ডান ও বাম পাশে কেমন করে চুল কাটাতে হবে, তার নমুনা ছবি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ভালশুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বলেছেন, “অনেক শিক্ষার্থী বড় বা অপ্রচলিত স্টাইলে চুল রেখে স্কুলে আসছে, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশের সঙ্গে মানানসই নয়। এজন্যই নির্দিষ্ট নিয়মে চুল কাটানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি বলেন, “এ সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না, বরং শিক্ষার্থীদের বোঝানোর মাধ্যমে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সে কারণে পোস্টারটি বিদ্যালয়ের পাশাপাশি আশপাশের সেলুনেও দেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা চুল কাটানোর সময় বিষয়টি অনুসরণ করে। যেসব অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, তারাও এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।”

প্রধান শিক্ষক আরো বলেন, “বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করা আগের চেয়ে কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকেই পড়াশোনার বাইরে মোবাইল ফোনে সময় দিচ্ছে। এ কারণে বিদ্যালয়ে মোবাইল আনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেউ গোপনে আনলে তা জব্দ করে পরে অভিভাবকের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়। সুশৃঙ্খল পরিবেশে পড়াশোনা নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”