আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল-মার্কিন ঘাঁটিতে ১০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ২০০ রকেট নিক্ষেপ

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইসরায়েল এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবস্থানগুলোতে নতুন দফায় বড় ধরনের হামলার ঘোষণা দিয়েছে। ইরান ও তাদের মিত্র ‘প্রতিরোধ ফ্রন্টগুলোর’ পক্ষ থেকে সমন্বিতভাবে এই অভিযান চালানো হয়। খবর আল-জাজিরা ও ওয়ানা নিউজের।

আইআরজিসির তথ্যমতে, আজ বুধবার (১ এপ্রিল) ইরান ও মিত্র ‘প্রতিরোধ ফ্রন্টগুলোর’ পক্ষ থেকে চালানো সর্বশেষ ধাপের হামলায় ১০০টিরও বেশি ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন এবং অন্তত ২০০টি রকেট ব্যবহার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, হামলার লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি। উল্লেখযোগ্য লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে: ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থানরত একটি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ড্রোন ইন্টারসেপশন সিস্টেম, বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী এবং কুয়েতের আল-আদিরি ঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন হেলিকপ্টার ইউনিট।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, “প্রাপ্ত তথ্য এবং স্যাটেলাইট চিত্র অনুযায়ী, এই অভিযানগুলো উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং সামরিক কার্যক্রম- বিশেষ করে যুদ্ধবিমানকে সহায়তা প্রদান এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করেছে।”

আইআরজিসি আরও জানায়, নতুন এই হামলায় ‘আরাশ-২’ ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে, যা দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পাড়ি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি অঙ্গীকার করেছে, “প্রতিশোধ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এবং ‘আগ্রাসনকারীকে’ তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না করা পর্যন্ত এই হামলাগুলো ‘পূর্ণ তীব্রতা ও শক্তির’ সঙ্গে অব্যাহত থাকবে।”