অর্থনীতি

পুঁজিবাজারে বড় পতনে সপ্তাহ শেষ, কমেছে লেনদেন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সূচকের বড় পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। 

এদিন ডিএসই ও সিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে। একইসঙ্গে, উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষ দিকে তা পতনে রূপ নেয়। একইভাবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। তবে লেনদেন শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই তা পতনমুখী অবস্থানে চলে আসে। লেনদেনে শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের পতনমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৫৩.০৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২১৯.৭৩ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫.৮৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৯.৫৭ পয়েন্টে এবং ডিএস ৩০ সূচক ২১.২৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮০.৩৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৬৫টি কোম্পানির, কমেছে ৩০৬টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৩টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ৬২৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭১৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৪.২১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৯৭৭.৫১ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮৩.৩৬ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৬৯৫.৮৭ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ২.৬৮ পয়েন্ট কমে ৮৯৫.০৩ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৭০.৪১ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৮৪৮.২০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ১৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৬০টি কোম্পানির, কমেছে ১১৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ১৬টির।

দিন শেষে সিএসইতে ৯ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।