ফরিদপুরের সালথায় প্রকাশ্যে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় শহিদুল হাসান সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে সালথা বাজারে জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় তিনি হামলার শিকার হন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জননী সুপার মার্কেটের নিচতলায় নুরু বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও গাঁজা সেবনসহ মাদক কারবার করেন। বুধবার সন্ধ্যায় মার্কেটের ভেতর মাদক সেবন করতে দেখে প্রতিবাদ করেন ওই মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ডিজিটাল ডায়গনিস্টিক সেন্টারের পরিচালক শহিদুল হাসান সোহেল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা সোহেলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
প্রাথমিকভাবে স্থানীয় মুরব্বিরা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে নুরু বিশ্বাস, শামীম বিশ্বাস ও সোহেল লাঠি ও পাইপ নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভেতর ঢুকে শহিদুল হাসানের ওপর হামলা চালান।
ক্লিনিকের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তিন যুবক মিলে হাতে থাকা লাঠি দিয়ে শহিদুল হাসানকে পেটাচ্ছেন। এসময় আত্মরক্ষার জন্য ভুক্তভোগী বারবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। হামলায় আহত হলে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত শহিদুল হাসান সোহেল বলেন, “মার্কেটের নিচতলায় একটি কসমেটিক দোকানের সামনে বসে অভিযুক্তরা নিয়মিত মাদক বিক্রি ও সেবন করেন। পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। যার জেরে তারা ক্লিনিকে ঢুকে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে। আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।”
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে। হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।