সুন্দরবনে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযানে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা গত দেড় বছরে ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ সময় ৬১ বনদস্যুকে গ্রেপ্তার এবং ২ হাজার ৮৫৭ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া সেল থেকে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।
কোস্টগার্ড সদস্যরা সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল সুন্দরবন সংলগ্ন দাকোপ উপজেলার বাইনতলা খাল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বনদস্যু দলের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তাররা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সোহাগ হাওলাদার (৩৫) এবং খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বাবুল সানা (৪২)।
কোস্টগার্ড জানায়, গত দেড় বছর ধরে চালানো ধারাবাহিক অভিযানে ছোট জাহাঙ্গীর, জোনাব বাহিনী, করিম-শরীফ, আসাবুর বাহিনী, ছোট সুমন বাহিনীসহ বিভিন্ন দলের ৬১ বনদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অভিযান চলাকালে ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২ হাজার ৮৫৭ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। এ সময় ৩ জন পর্যটকসহ ৭৮ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের নেভিগেটিং অফিসার লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান বলেন, বনদস্যুরা বছরের পর বছর ধরে বনজ সম্পদ লুট এবং জেলে ও বননির্ভর মানুষদের অপহরণ করে আসছে। যা পর্যটন, বনজীবী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার মারাত্মক ক্ষতি করছে।
সুন্দরবনের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের জনবল বৃদ্ধি, কৌশলগত স্থানে নতুন স্টেশন স্থাপন, দ্রুতগতির বোট যুক্ত করা এবং আধুনিক ড্রোন-ভিত্তিক নজরদারি সম্প্রসারণ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।