সারা বাংলা

বগুড়া-৬ উপ-নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪২ দশমিক ৪৯ শতাংশ

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনের (বগুড়া-৬) উপ-নির্বাচনে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ১৫০টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেন্দ্রে কেন্দ্রে চলছে ভোট গণনা।  

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৪টায়। এ উপ-নির্বাচনে ৪২ দশমিক ৪৯ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচনে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, শহর জামায়াতের আমির আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোট চলাকালে জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেন। অভিযোগের কোনো প্রকার সুরাহা না করার অভিযোগ তোলেন রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

বগুড়া জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের উপ-নির্বাচনে দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন। ভোট গ্রহণে নিয়োজিত ছিলেন ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা। 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন ছিল ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি, ১০ প্লাটুন র‍্যাব, সেনাবাহিনী এবং ডগ স্কোয়াড। 

বগুড়া-৬ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১০ জন। বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৫০টি এবং বুথের সংখ্যা ৮৩৫টি। এর মধ্যে ৭৮৭টি স্থায়ী এবং ৪৮টি অস্থায়ী বুথ।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেছেন, “কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। মোট ৪২ দশমিক ৪৯ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। দুটি আসনে জয়ী হওয়ায় তিনি বগুড়া-৬ আসন‌টি ছে‌ড়ে দেন। তাই, আসন‌টি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।