সারা বাংলা

গভীর সমুদ্রে ভাসতে থাকা ৯ জন উদ্ধার, টেকনাফ থানায় হস্তান্তর

গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় বাংলাদেশিসহ ৯ জনকে উদ্ধার করেছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ। পরে উদ্ধারকৃতদের বাংলদেশ কোস্ট গার্ডের জাহাজে হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে একজন নারী ও আটজন পুরুষ। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (বিএন) সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ৯ এপ্রিল দুপুর ১টার দিকে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী গভীর সমুদ্রে পানির ড্রাম ও কাঠের টুকরো আঁকড়ে ধরে ভাসতে থাকা কয়েকজন মানুষকে দেখতে পায় বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‌এমটি মেঘনা। তারা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ৮ পুরুষ ও একজন নারীসহ মোট ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃতরা হলেন- কক্সবাজার সমিতি পাড়ার বাসিন্দা সুলতান আহমেদের ছেলে মো. হামিদ, উখিয়া কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা আব্দুর রহিমের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, টেকনাফ বড়ডেইলের বাসিন্দা মো. তোয়াবের ছেলে মো. তোফায়েল, কক্সবাজারের বাসিন্দা আব্দুল গাফারের ছেলে মো. সায়াদ আলম, উখিয়া কুতুপালং ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা নজরুলের ছেলে মো. আকবর, হাবিল হোসেনের মেয়ে রাহেলা বেগম, কুতুপালং ১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা হামিদ হোসেনের ছেলে মো. ইমরান, টেকনাফের বাসিন্দা শামসুর আলমের ছেলে মো. সোহান উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম মিরসরাইর বাসিন্দা মো. আনামুল হকের ছেলে মো. হৃদয়।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের কোস্টগার্ড তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা ও খাদ্যসহ মানবিক সহায়তা প্রদান করে।  শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে টেকনাফ থানায় সোপর্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচারের সময় ট্রলারডুবি বা অন্য কোনো কারণে এসব লোকজন সাগরে পড়ে যেতে পারেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কোস্ট গার্ডের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।”