রাজনীতি

কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, “কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।”

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ডিআরইউ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) প্রাঙ্গণে পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিক সমাজ ও দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “কৃষি ও কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। নির্বাচিত সরকার কৃষি ও কৃষককে দেশের অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।”

তিনি আরো উল্লেখ করেন, “মোগল সম্রাটদের প্রবর্তিত বাংলা সনের ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে সরকার এ বছর পহেলা বৈশাখকে ‘কৃষক কার্ড’ বণ্টনের উদ্বোধনী দিন হিসেবে বেছে নিয়েছে।”

মন্ত্রী বর্তমান সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আজ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনীতি পুনর্গঠন করে দেশকে নিজের পায়ে দাঁড় করানো। আর সেই লক্ষ্যেই আমাদের স্লোগান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।”

সারা দেশে শান্তিপূর্ণ নববর্ষ উদযাপনকে তিনি গণতন্ত্র চর্চার স্বাভাবিক পরিবেশের প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, “নতুন সরকার, নতুন গণতন্ত্র ও নতুন বছর এই তিনের সমন্বয়ে এবারের বৈশাখ এক ভিন্ন আমেজে উদযাপিত হচ্ছে।”

ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। তিনি বিগত সময়ের তুলনায় এ বছর বৈশাখী উৎসবে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেন। ডিআরইউয়ের দিনব্যাপী এ আয়োজনে সহযোগিতার জন্য পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ও আয়োজনকে সফল করার জন্য সদস্যদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ডিআরইউ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ‘পুতুল নাচ’ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। পরে আনন্দর‌্যালি ও আলোচনা সভা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয় ডিআরইউ নেতারা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাইফুল ইসলাম, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে)  সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য আলী আজম, মাহফুজ সাদি, আল-আমিন আজাদ, মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন, সুমন চৌধুরী ও মো. মাজাহারুল ইসলাম।