ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ও পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) মতো শীর্ষ দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চলমান। এই মুহূর্তে তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ ক্রিকেটাররা সেখানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সেই ধাক্কা কিছুটা এসে পড়েছে নিউ জিল্যান্ড দলের ওপরও।
অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ব্যস্ত আইপিএলে। গ্লেন ফিলিপসও ভারতে। ডেভন কনওয়ে, ফিন অ্যালেনও রয়েছেন আইপিএলে। ব্রেসওয়েল আছেন পিএসএলে। লোকি ফার্গুসন, রাচীন রাভিন্দ্র, ডার্ল মিচেল ও ম্যাট হেনরি রয়েছেন আইপিএলে। জিমি নিশাম গেছেন পিএসএলে। ফলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় সারির দল নিয়েই বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউ জিল্যান্ড। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল।
সাদা বলের দুই সংস্করণেই এই সফরে দলকে নেতৃত্ব দেবেন টম ল্যাথাম। দল যেটাই হোক, নিউ জিল্যান্ডকে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে সমীহ করছেন বাংলাদেশের হেড কোচ ফিল সিমন্স। শীর্ষ ক্রিকেটাররা যদি বাংলাদেশে আসতেন যেই ভাবনাতে বাংলাদেশ তাদের মুখোমুখি হতো, ঠিক একই ভাবনাতে তরুণ ক্রিকেটারদের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বলেছেন, ‘‘দ্বিতীয় সেরা দল বলে কিছু আমার জানা নেই। কোনো দেশের প্রতিনিধি হিসেবে যখন একটি দল আসে, সেটিই তাদের সেরা।’’ সিমন্স মনে করিয়ে দিলেন নিউ জিল্যান্ড দলের ক্রিকেটারদের উঠে আসার প্রক্রিয়া নিয়ে। সারা বছরই কিউই দলটিতে একাধিক তরুণ, প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটার থাকে। যারা দলের ভারসাম্য ঠিক রাখে। দলের সংস্কৃতিতে মানিয়ে নেয়। ভবিষ্যতের পথ সুগম করে। এই দলের ক্রিকেটাররাও ঠিক তেমনই। এই দলের মুহাম্মাদ আব্বাস, আদিত্য আশোক, নিক কেলি, ডিন ফক্সক্রফট, জেডেন লেনক্স, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক ও জশ ক্লার্কসন গত বছর বাংলাদেশ সফর করে গেছেন নিউ জিল্যান্ড ‘এ’ দলের হয়ে। চোট কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন তিন পেসার ম্যাট ফিশার, উইল ও’রুর্ক ও ব্লেয়ার টিকনার। দ্বিতীয়বার নিউ জিল্যান্ডের ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক ও জেইডেন লেনক্স। প্রায় দুই বছর পর সাদা বলের ক্রিকেটে ডাক পেয়েছেন অফ স্পিন অলরাউন্ডার ডিন ফক্সক্রফট।
তাইতো প্রতিপক্ষকে নিয়ে বাংলাদেশ দলের দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন নেই। সিমন্স যোগ করেন, ‘‘একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, এই ছেলেরা (নিউ জিল্যান্ডের) ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রচুর পরিমাণে ম্যাচ খেলেছে সব সংস্করণেই। কাজেই তারা বেশ পোক্ত ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তাদের কয়েকজন হয়তো (খুব বেশি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেনি, তবে সবাই তাদের জীবনে অনেক ক্রিকেট খেলেছে। কাজেই দ্বিতীয় সেরা দল ভেবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওভাবে কাজ চলে না।”