ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের ফৌজদারি অপরাধসংক্রান্ত তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সম্প্রতি সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং অফিসার মো. মঈন উদ্দীন খান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর চিঠি পাঠান।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় আগামী ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা পর্যন্ত। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র ২২ ও ২৩ এপ্রিল নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হবে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এবং মুক্তির পর পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়নি—এমন ব্যক্তিরা সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনে অযোগ্য। এই বিধান যাচাই করতেই প্রার্থীদের অপরাধসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় শেষে প্রার্থীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হবে। সেসব সংস্থাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাচাই করে মতামত দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মতামত না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অযোগ্যতার তথ্য নেই বলে ধরে নেওয়া হবে।
এছাড়া, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধিকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল, নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। সংরক্ষিত মহিলা আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।