গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সহ-সভাপতি ধর্মশিং চাকমার হত্যার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমাকে দায়ী করে তাঁকে আঞ্চলিক পরিষদ থেকে অপসারণ এবং তাঁর সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম।
পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফের যুব সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির কুতুকছড়ির আবাসিক এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের ইতিহাসে সন্তু লারমা একমাত্র ব্যক্তি যিনি বিনা নির্বাচনে গত ২৮ বছর প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন এবং প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লংঘনসহ হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করে চলেছেন। অথচ আজ পর্যন্ত তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়নি।
তারা আরো বলেন, শুধু ধর্মসিং চাকমা নয়; এই ধরনের অসংখ্য যুবককে হত্যা করে সন্তু লারমা কত মায়ের বুক খালি করেছেন, তা কেবল তিনি জানেন। ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে নিজেদের জুম্ম ভাইদের হত্যায় তিনি পিছপা হচ্ছেন না।
ধর্মসিং চাকমার হত্যায় সন্তু লারমা জড়িত দাবি করে দলটির নেতারা তাকে হুকুমের আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারের দাবি জানান এবং একইসঙ্গে ধর্মসিং চাকমার বিধবা স্ত্রীর ভরণপোষণ ও আহত দুই বোনের চিকিৎসার ব্যয় সরকারকে বহন করার দাবি জানান।
হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত আসামিদের নামে মামলা হলেও আহত দুই বোন সুস্থ হয়ে ফিরে আসার পর প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আসামিদের নামে মামলা করবেন বলে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সাধারণ সম্পাদক থুইনুমং মারমা, পিসিপির সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক চয়ন চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সদস্য রিপনা চাকমা। এতে উপস্থিত ছিলেন নারী সংঘের সহ সভাপতি রিনিশা চাকমা ও ধর্মসিং চাকমার সহধর্মিনী রুনা চাকমা।