খেলাধুলা

মজার ফরম‌্যাটে পূর্ণ স্বাধীনতায় উড়তে চায় নিউ জিল‌্যান্ড

লম্বা ক‌্যারিয়ারে টম লাথাম নিউ জিল‌্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মোটে ২৯টি। আহামরি রেকর্ড নেই। জাতীয় দলে তার সুযোগ খুব একটা নেই। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছেন। অন‌্যান‌্যদের অনুপস্থিতিতে যখনই জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান তা লুফে নেন দুহাত ভরে। এবার যেমন বাংলাদেশ সফরে এসেছেন দলটির অধিনায়ক হয়েই।  

আগামীকাল চট্টগ্রামে মাঠে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামার আগে লাথাম নিজের টি-টোয়েন্টি ভাবনা নিয়ে বলেছেন, ‘‘আমি যখনই সুযোগ পাই, টি-টোয়েন্টি খেলতে উপভোগ করি। আমি জানি দলে আমার অবস্থান কী এবং আমি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমি খুব বেশি টি-টোয়েন্টি খেলি না, কিন্তু ঘরোয়া পর্যায়ে কিছু অভিজ্ঞতা আছে, বিশেষ করে স্পিন সহায়ক কন্ডিশনে। আমার জন্য বিষয়টা সহজ, যে ভূমিকাই পাই, সেটা ভালোভাবে পালন করা।’’

নিউ জিল‌্যান্ডের মূল সারীর সব ক্রিকেটার ব‌্যস্ত আইপিএল ও পিএসএল নিয়ে। ফলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় সারির দল নিয়ে তারা এসেছেন বাংলাদেশে। ওয়ানডে সিরিজ তারা ২-১ ব্যবধানে হারলেও প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের নিয়ে দারুণ লড়াই করেছেন লাথাম। টি-টোয়েন্টিতেও ভালো করতে উৎগ্রীব কিউই অধিনায়ক। 

নিজের দল নিয়ে লাথাম বেশ আত্মবিশ্বাসী, ‘‘আমাদের দলে কিছু খেলোয়াড় আছে যাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কম, কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক। তাই আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা সীমিত হলেও, তাদের উচিত ঘরোয়া ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করা। এখনকার দিনে অনেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলেছে, বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে খেলেছে। তাই আমি মনে করি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আমাদের দলে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে। সবাই এই ফরম্যাটটা পছন্দ করে- দ্রুত, মজার এবং বিনোদনপূর্ণ। তাই সবাই এই সিরিজের জন্য মুখিয়ে আছে।’’

লাথামের সংবাদ সম্মেলনের আগে এসে লিটন জানিয়েছিলেন, এই ফরম‌্যাটে দুয়েকজনই ম‌্যাচের ফল পরিবর্তন করে দিতে পারেন। কিউই অধিনায়কও এমনটাই বিশ্বাস করেন, ‘‘অবশ্যই। একজন খেলোয়াড় ভালো দিন পেলেই কয়েক ওভার বা কয়েক বলের মধ্যেই ম্যাচ বদলে যেতে পারে। বড় ফরম্যাটে সময় লাগে, কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়। তাই আমাদের লক্ষ্য থাকে এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের নিয়ে যাওয়া যেখানে আমরা ম্যাচ ঘোরানোর সুযোগ নিতে পারি।’’

লাথামের মতে, ‘‘টি-টোয়েন্টি মূলত ম্যাচ উইনারদের খেলা। খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের মতো খেলা জরুরি। আমরা তাদের সেই স্বাধীনতা দিতে চাই যাতে তারা নিজেদের খেলাটা খেলতে পারে। তাহলে আমরা জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে পারব।’’