দিনাজপুরের হিলি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। পাম্পে এখন পর্যাপ্ত তেলের মজুত থাকলেও আগের মতো ক্রেতার ভিড় নেই।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিন দেখা যায়, কয়েক দিন আগেও যেখানে এক থেকে দেড় কিলোমিটার সড়কজুড়ে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন ছিল, সেখানে এখন পরিবেশ অনেকটাই ফাঁকা ও স্বাভাবিক। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি বন্ধ হওয়া এবং ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত গ্রাহকদের মাঝে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক মোয়াজ্জেমসহ কয়েকজন জানান, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল পাওয়া যেত না। এখন ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার কারণে দ্রুত ও সহজে তেল পাওয়া যাচ্ছে। ভোগান্তি বা হট্টগোল নেই। পরিবেশও অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক।
হিলি আলীহাট ইউনিয়নের সাদুরিয়া এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জানান, আগে তেল সরবরাহের দিনে প্রায় তিন হাজার লিটার পেট্রল বিক্রি হতো। বর্তমানে সেই পরিমাণ তেল বিক্রি করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগছে। একইসঙ্গে নতুন করে তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকায় তেলের সংকট নেই।
এ বিষয়ে হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। ভোক্তারা এখন কার্ডের মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে তেল সংগ্রহ করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।