গোপালগঞ্জে সদর উপজেলায় বিরোধের কারণে প্রেমিকার বাড়িতে হামলা চালিয়ে অন্তত চার নারীকে আহত করার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক হায়াত কাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে। এ সময় ভুক্তভোগীর বাড়ি ভাঙচুর চালায় হামলাকারীরা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ভেড়ারবাজার গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভেড়ারবাজার গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে ঘোষেরচর গ্রামের আলমগীর কাজীর ছেলে হায়াত কাজীর প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। আজ সকালে হায়াত কাজীর মামা হরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয় কাজী তার লোকজন নিয়ে ওই মেয়ের বাবা ও নানার বাড়িতে গিয়ে হামলা চালান। এসময় মারধরে চার নারী আহত হন। তাদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহতদের মধ্যে এক নারী বলেন, “হরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয় কাজী ও তার লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের মারধরে আমরা আহত হই।”
অভিযুক্ত হরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয় কাজী বলেন, “তাদের মারধর করা হয়নি। মহিলাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে আমি ঠেকাতে যাই। আমি যেহেতু ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনছে।”
গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, এখন পযর্ন্ত থানায় কোনা অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।