রাঙামাটির লংগদুতে মারা যাওয়া হাতিটি মাটির নিচে চাপা দেওয়ার পর সোমবার (২৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে মাটি খুঁড়ে সেটির মাংস চুরির চেষ্টা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) সদস্যদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুজ্জামান শাহ বলেন, সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ শেষে হাতির শরীরে ব্লিচিং পাউডার ও কেরোসিন দিয়ে গর্ত খুঁড়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়। যাতে মাটি খুঁড়ে কেউ হাতিটির মাংস নিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য ইআরটি সদস্যদের দিয়ে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। মধ্যরাতে একদল দুর্বৃত্ত মাটি খুঁড়ে মাংস নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ইআরটি-এর সদস্যরা ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
তিনি বলেন, যতদিন হাতির মাংস পচবে না, ততদিন পর্যন্ত ইআরটি’র সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরো বলেন, ‘‘হাতি মারা যাওয়ার প্রেক্ষিতে লংগদু থানায় আমরা একটি জিডি করেছি। এরপর হাতিটির মাংস চুরির চেষ্টার ঘটনায় আরেকটি জিডি করা হবে। যারা এই ধরনের কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও দীর্ঘদিনের সংক্রমণ নিয়ে গত রবিবার (২৬ এপ্রিল) লংগদুর ভাসান্যাদাম এলাকায় হাতিটি মারা যায়। দাঁতবিহীন এই হাতিটিকে সুস্থ করে তোলার জন্য চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি হাসপাতাল ও ডুলাহাজরা সাফারি পার্কের চিকিৎসকরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত নিয়মিত চিকিৎসা দেন।