রণবীর সিং অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর টু’। আদিত্য ধর নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে; যা এখনো চলমান। সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্য নিয়ে নানা চর্চা চলছে। বিশেষ করে ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যটি নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য সামনে আসার পর আলোচনার আগুনে ঘি পড়েছে।
কয়েক দিন আগে হিন্দি রুশকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ‘ধুরন্ধর টু’ সিনেমার এসএফএক্স (স্পেশাল এফেক্ট) সুপারভাইজার বিশাল ত্যাগী। এ আলাপচারিতায় তিনি জানিয়েছেন, ‘ধুরন্ধর টু’ সিনেমার বিস্ফোরণের দৃশ্যগুলোতে কম্পিউটার-জেনারেটেড এফেক্ট ব্যবহার করা হয়নি। বরং সেটেই সেগুলোকে বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বিশাল ত্যাগী বলেন, “আদিত্য ধর বলেছিলেন, ‘আমি সিজিআই ব্যবহার করতে চাই না, বিশেষ করে বিস্ফোরণের ক্ষেত্রে।’ সিনেমার শেষে যে ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণ হয়, সেটাই ছিল সবচেয়ে কঠিন। সেখানে সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল নিরাপত্তার ব্যাপার। একবার ভাবুন তো, ৫০০ লিটার পেট্রোল! ওই বিস্ফোরণের সবকিছু আসল ছিল।”
খানিকটা ব্যাখ্যা করে বিশাল বলেন, “রণবীর খুব কাছ দিয়ে হাঁটছিল, আর আমাকে নিশ্চিত করতে হয়েছিল, আগুন যেন তার কাছে না পৌঁছায়। আমরা সবকিছু খুব নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা করে রণবীরকে বলে দিয়েছিলাম, কোথা থেকে হাঁটা শুরু করতে হবে। আমরা সত্যিই ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার জন্য রক্ত-ঘাম ঝরিয়েছি।”
শুরুতে পরিকল্পনা ছিল, অর্জুন রামপালও দৃশ্যটিতে থাকবেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে বিস্ফোরণের শুটিংয়ের আগে তাকে সরে যেতে বলা হয়েছিল বলেও জানান বিশাল।
‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় রণবীর সিংয়ের বিপরীতে অভিনয় করেন সারা অর্জুন। এ সিনেমার মধ্য দিয়ে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে। দ্বিতীয় পার্টেও রণবীরের সঙ্গী সারা। তাছাড়াও অভিনয় করেছেন—অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খান্না, আর. মাধবন প্রমুখ। ২৮০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা প্রযোজনা করেছেন আদিত্য ধর, লোকেশ ধর, জ্যোতি দেশপান্ডে।
*এনডিটিভি অবলম্বনে