দেশের মানুষের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটি সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে বিরোধীদল ও সরকারি দলের গন্তব্য এক ও অভিন্ন। সংসদে বিতর্কের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র এগিয়ে যায়। যেসব বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে সেসব বিষয়ে দেশের স্বার্থে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।”
তিনি বলেন, “দেশের স্বার্থে আমরা একসঙ্গে কাজ করব। আমরা কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইবো না। যেকোনো একটি দল ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। আলোচনার মাধ্যমে আমরা এ দেশকে এগিয়ে নেব।”
এ সময় তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিরোধীদলের সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।
তারেক রহমান বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে গেলে অবশ্যই উভয়পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চলুন আমরা সিদ্ধান্ত নেই, সংসদে আলোচনার বিষয় হবে এদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন।”
আবারো বিরোধীদলকে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ডেপুটি স্পিকারের পদটি এখনো বিরোধীদের জন্য ওপেন আছে। তারা চাইলে এটি গ্রহণ করতে পারেন।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতার ছেলে বর্তমানে ব্রিটেনে থাকেন। আমাকেও একসময় রাজনৈতিক কারণে সেখানে থাকতে হয়েছে। প্রবাসে থাকাকালীন ওখানকার স্কুলগুলো দেখে আমার খুব কষ্ট হতো। ভাবতাম, আমার দেশের স্কুলের শিক্ষার্থীরা কবে এমন সুন্দর পরিবেশে স্কুলে যাবে।”
শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমি শিক্ষাঙ্গনের বর্তমান অবস্থা চাই না, আমূল পরিবর্তন চাই। আগামী জুলাই মাস থেকে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ, ড্রেস এবং জুতা প্রদান করবে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর ও সম্মানজনক পরিবেশে পড়াশোনা করুক।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। শুধু সেচের জন্য নয়, পানির সংকট কাটাতেই খাল খনন করা হচ্ছে।”