জাতীয়

যোগ্যদের ভাতা দেওয়ার নির্দেশ, অনিয়ম তদন্তে কমিটি: প্রতিমন্ত্রী

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতাভোগী বাছাইয়ে অতীতে যে অনিয়ম হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে কমিটি করা হয়েছে। যোগ্য মানুষ যেন দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে ভাতা পায়, সেটি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই অধিবেশন হয়।

তালিকা রিভিজিট করছি, জিটুপিতে বাছাই হবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‍“আগের যত ভাতাভোগীর তালিকা আছে, সবগুলো নতুন করে যাচাই করা হবে। এজন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন থেকে জিটুপি পদ্ধতিতে প্রক্সিমিন টেস্টের মাধ্যমে সুবিধাভোগী বাছাই করা হবে। যাদের সত্যিই দরকার, শুধু তারাই যেন সুবিধা পায় সেটাই লক্ষ্য।”

তিনি বলেন, “টানেলের এপারে মন্ত্রণালয় আর ওপারে জেলা প্রশাসন। দুই পক্ষের সমন্বয় ভালো হলে ভাতা সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছাবে।”

আমরা ৮২ শতাংশ মানুষ নিয়ে কাজ করি  সমাজকল্যাণ ও মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশের ৮২ শতাংশ মানুষ নিয়ে কাজ করে জানিয়ে ফারজানা শারমীন বলেন, “এই দুই মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিমাণ অনেক বেশি, কিন্তু আওয়াজ কম। জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাররা মন্ত্রণালয় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সেতুবন্ধনের কাজ করেন।”

“চলমান প্রকল্পগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্প আরো শক্তিশালী করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কোনো দুর্নীতি হলে তা মন্ত্রণালয়কে জানাতে ডিসিদের অনুরোধ করা হয়েছে। তা না হলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলেন”, তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কাজ বাস্তবায়নে যেসব বাধা আছে, তা দূর করতে ডিসিদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।” সম্মেলনের উদ্দেশ্য সফল হবে এমনটি আশা করেন তিনি।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, মাঠ পর্যায়ে ভাতার তালিকা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল। কমিটি হলে প্রকৃত দরিদ্র মানুষ উপকৃত হবে। তবে জিটুপি পদ্ধতিতে যাচাই করতে গিয়ে যেন কেউ বাদ না পড়ে, সেটাও দেখতে হবে।