সারা বাংলা

শরীয়তপুরে হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ রেখে পলাতক স্বামী

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় শিমু আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিমু আক্তার নড়িয়া পৌরসভার বাড়ৈপাড়া এলাকার কুদ্দুস খানের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি ঢাকায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৮ মে) সন্ধ্যায় শিমু আক্তারকে অচেতন অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন তার স্বামী কুদ্দুস খান ও পরিবারের সদস্যরা। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করার পরপরই শিমুর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন হাসপাতালেই মরদেহ ফেলে রেখে চলে যান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানায়।

এ বিষয়ে নড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, “খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন। তাদের বাড়িতেও তালা ঝুলানো রয়েছে। আমরা মেয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।”

তিনি আরো বলেন, “হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।” প্রাথমিকভাবে চিকিৎসক জানিয়েছেন, নিহতের গলায় দাগ রয়েছে।