যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক চুক্তি ‘অধীনতামূলক’ ও ‘সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেওয়ার’ শামিল বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব হাসান।
তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তি নিয়েও বিতর্ক ছিল, তবে বর্তমান চুক্তি আরো বেশি বিতর্কিত।”
শনিবার (৯ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে “গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার: সংবিধানের সংস্কার, গণভোট—বৈধতার ভিত্তি জনগণ না সংবিধান” শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
সোহরাব হাসান বলেন, “সংসদে দুই পক্ষের জ্বালাময়ী বক্তৃতা দেখা গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তারা নীরব।”
তার ভাষ্য, চুক্তির কিছু ধারা এমন যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে বাংলাদেশ তৃতীয় কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে না।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশ আওয়ামীময় হয়ে উঠেছিল। সেই অবস্থা থেকে বের হতে জনগণ রাজপথে নেমেছে। তারা নিজেদের সংকট ও সমস্যার সমাধান চেয়েছে।”
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “জোড়াতালি দিয়ে টেকসই রাষ্ট্র গড়া যায় না। সমাজের সর্বস্তরে আলোচনা, তর্ক ও প্রশ্ন থাকা প্রয়োজন।”
ভবিষ্যতে স্বৈরাচার ঠেকাতে কার্যকর সংস্কার কতটা হয়েছে, সে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর আমরা এমন কোনো শাসক দল তৈরি করতে পারিনি, যারা ক্ষমতায় থেকে একটি ভালো নির্বাচন করতে পারে।”