গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে একই বাসায় পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে। ওই পাঁচ মরদেহের ওপর কম্পিউটারে টাইপ করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ফটোকপি পেয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই জিডি গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লেখা। প্রতিটি মরদেহের ওপর একই জিডির ফটোকপি রাখা ছিল।
জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে, বাদী শারমিন খানম স্বামীর (মো. ফোরকান, যিনি এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক) উপার্জিত ১০ লাখ টাকা নিয়ে বাবার বাড়িতে জমি কিনেছেন। পাশাপাশি, শারমিন তার খালাতো ভাই রাজুসহ অন্য ছেলেদের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত। এর প্রতিবাদ করায় গত ৩ মে শারমিন ও তার স্বজনরা ফোরকানকে হাত-পা বেঁধে মারধর করেন।
সেই ঘটনার জের ধরেই ফোরকান তার স্ত্রী শারমিন, তিন সন্তান ও শ্যালক রসুলকে হত্যা করেছেন বলে ধারণা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “ঘটনাস্থলে পাওয়া জিডি আসলেই থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল কি না, নাকি এটি পরিকল্পিতভাবে রেখে যাওয়া হয়েছে, তা যাচাই করা হচ্ছে।”
তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট। হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক কলহ, মাদকাসক্তি কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।