স্কোর: বাংলাদেশ ৯৩/২ (লিড ১২০ রান) (লাঞ্চ)
চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনটা বেশ লম্বা হলো। খেলা শুরু হয়েছিল ৯.৪৫ মিনিটে। প্রথম সেশনে ২৯.১ ওভার খেলা হয়েছে। বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে জমা করেছে ৮৬ রান, উইকেট হারিয়েছে ২টি। মুমিনুল ৩৭ ও নাজমুল ৩৪ রানে অপরাজিত আছেন।
দিনের প্রথম ঘণ্টায় ২ উইকেট নিয়ে পাকিস্তান এগিয়ে গিয়েছিল। মাহমুদুল হাসান জয়কে এলবিডব্লিউ করেন মোহাম্মদ আব্বাস। হাসান আলী ফেরান সাদমান ইসলামকে। শুরুতে দুই ওপেনারকে হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ।
তবে দলকে বিপদে পড়তে দেননি মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় ঘণ্টায় প্রতিরোধ করে দলের রান এগিয়ে নেন। এরই মধ্যে লিড একশ পেরিয়েছে। দ্বিতীয় সেশনে এই মনোযোগ, ধৈর্য দেখাতে পারলে নাটাইটা বাংলাদেশের হাতেই থাকবে।
১০০ ছাড়িয়ে বাংলাদেশের লিড
মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে বাংলাদেশের লিড একশ ছাড়িয়েছে। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫২ রান যোগ করেছেন তারা। মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম সাজঘরে ফেরার পর হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। কখনো ধীর স্থির আবার কখনো আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তারা এগিয়ে নিচ্ছেন স্কোরবোর্ড।
আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে মুমিনুল ও নাজমুলের প্রতিরোধ
শাহীন শাহ আফ্রিদির ফুল লেন্থ বল পায়ের ওপরে পেয়ে ফ্লিক করে মিড উইকেট দিয়ে চার হাঁকালেন নাজমুল হোসেন শান্ত। পরের বল একটু টেনে দিয়েছিলেন শাহীন। এবারও একই শট। একই জায়গা দিয়ে আরেকটি চার। এর আগে হাসান আলীকে অনড্রাইভে চার মেরেছিলেন চোখ জুড়ানো শটে।
প্রথম ঘণ্টায় দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মিলেছে স্বস্তি। মুমিনুলকে সঙ্গে নিয়ে নাজমুল গড়েছেন জুটি। এরই মধ্যে দলের রান পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে। লিড প্রায় একশর কাছাকাছি। আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে দলের রান এগিয়ে নিচ্ছেন দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
প্রথম ঘণ্টাতে দুই উইকেট নেই বাংলাদেশের
প্রথম ইনিংসে হাসান আলীর বলে আউট হয়েছিলেন সাদমান ইসলাম। দ্বিতীয় ইনিংসেও গল্পটা পাল্টাল না।
ডানহাতি পেসারের আচমকা লাফিয়ে উঠা বলে ব্যাট সরাতে পারেননি সাদমান। বল চলে যায় দ্বিতীয় স্লিপে সৌদ শাকিলের হাতে। তিনি কোনো ভুল করেননি। প্রথম ওভারেই হাসান আলী পাকিস্তানকে এনে দিলেন সাফল্য। উইকেটে নতুন ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত।
মাহমুদুলকে শুরুতে হারিয়ে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ
ভালো কিছুর আশায় সোমবার চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেছিলেন সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান জয়। কিন্তু উদ্বোধনী জুটি পারেনি প্রতিরোধ গড়তে।
ডানহাতি ওপেনার মাহমুদুল পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন দিনের শুরুতেই। তার দ্রুতগতির বল মাহমুদুলের প্যাডে আঘাত করে। আম্পায়ার পাকিস্তানের আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল তোলেন। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে চেয়েও পারেননি ৫ রান করা মাহমুদুল। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮ রানে ফিরেছিলেন তিনি। এবারও ফিরলেন সিঙ্গেল ডিজিটে।
৭ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেছিলেন মাহমুদুল ও সাদমান। সকালের সেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচের চিত্রনাট্য লিখে দিতে পারে এই সেশন। বাংলাদেশ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবে। যদি ব্যাটসম্যানরা ভালো করতে না পারে তাহলে বিপদ ডেকে আনবে।
উইকেটে সাদমানের নতুন সঙ্গী মুমিনুল হক।