কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, “সামনে অনেক বড় বিপদ। বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ। তাই আমাদের বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে এনসিপি সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, “শাপলা হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। হাসিনাহীন হাসিনা ব্যবস্থা টিকিয়ে রেখেছি আমরা। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাসিনাকে উৎখাত করেছি, কিন্তু আমরা গাঠনিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারিনি। যুক্তরাষ্ট্র এখানে রেজিম চেঞ্জ করেছে, তারাই এখন ক্ষমতায় রয়েছে, ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই।”
আলোচনা সভায় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি ও এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন,“২০১৩ সালের শাপলা গণহত্যা জড়িত সুনির্দিষ্ট অপরাধীদের আসামি করে মামলা করতে হবে। তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অনেক বছর পরেও এই বিচারের দাবি তুলতে হবে আমাদের।”
কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, “শাপলা চত্বর ছিল কালচার ফাইটের অংশ। এই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর এই ফাইট জারি রাখতে হবে।”
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “অন্য হত্যার সঙ্গে শাপলা গণহত্যার পার্থক্য রয়েছে। একটি জনগোষ্ঠীকে আলাদা করে হত্যা করা হয়েছে, সেটি যেন আমরা ভুলে না যাই। তাদের শহীদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে।”
আলোচনা সভায় ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের (এনইউএ) আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনইউএর সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান প্রমুখ।