জাতীয়

‘ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ক ঐতিহাসিক, মুক্তিযুদ্ধের পরই স্বীকৃতি দিয়েছিল’

ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক উল্লেখ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে বন্ধুত্বের পরিচয় দেয়। 

রবিবার (১৭ মে) সংসদ ভবনে ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ‘‘ইউরোপিয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার ফ্রান্স। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে অনেক আগেই। দীর্ঘ ১৬ বছর মাফিয়া শেখ হাসিনার সরকার এদেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছিল। গণতন্ত্র রক্ষায় এদেশের হাজারো মানুষ নিজেদের আত্মোৎসর্গ করেছে।’’

সাক্ষাতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘‘বাংলাদেশে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্বচ্ছ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে।’’

বৈঠকে উভয়েই ইউরোপিয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া আন্তঃসংসদীয় সম্পর্ক জোরদার, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিষয়ে আলোচনা হয়।

স্পিকার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আগামী অধিবেশনে সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মনোনয়নে ফ্রান্সের সমর্থন চান। 

বৈঠকে ফরাসি দূতাবাসের প্রতিনিধি ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।