খেলাধুলা

তামিমের ‘ফেয়ার’ ইলেকশনের হালচাল

‘‘আগে নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করেন, এরপর ক্রিকেটের ফিক্সিং বন্ধ কইরেন’’ গত বছরের পহেলা অক্টোবর, এমন বক্তব্য দিয়ে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন থেকে সরে যান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

সময় খুব বেশি দূর গড়ায়নি। সাত মাসের ভেতরেই ক্ষমতার পালাবদলে তামিম এখন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি। যার প্রধানতম দায়িত্ব বিসিবির পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা। 

তামিম নিজেও কাউন্সিলর হয়েছেন। পরিচালক হওয়ার জন্য মনোনয়ন নিয়ে জমাও দিয়েছেন। তবে বিসিবির দায়িত্বে থাকলেও নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন তিনি। বিসিবির নির্বাচন প্যানেল তৈরি হওয়ার পর থেকে সব কাজ কমিটি করছে বলে দাবি তামিমের। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে তামিম মিরপুরে বলেছেন, ‘‘যে জিনিসটা আমি করেছি, আমি নিজেকে কমপ্লিটলি জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়ে আসছি। এখন এই জিনিসটা পুরোপুরি ইলেকশন কমিশনের ওপর। পার্থক্য এটা বলতে পারি যে আমি কোনো চিঠি সাইন করছি না। আমি কোনো কাউন্সিলরশিপ রিটার্ন করছি না।’’

সরাসরি দায়িত্বে না থাকলেও কিছু তথ্য আসছে তার কাছেও। কিন্তু সেসব নিয়ে তামিমের হেলদোল নেই, ‘‘আমার কাছে মনে হয় যে প্রথমে ১৯২ কাউন্সিলর হওয়ার কথা ছিল টোটাল। ১৮৫ বা ১৮৬ কাউন্সিলরস জমা করেছে। তারপরও কিছু কাউন্সিলরস চিঠি এসেছে। সেগুলো সেপারেটলি লিখে দেওয়া হয়েছে এটা ইসি ডিসাইড করার জন্য। এই জিনিসগুলো পুরোপুরিভাবে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি। এখানে ক্রিকেট বোর্ডের কোনো ডিরেক্টর বা প্রেসিডেন্ট বা সিইওর ইনভলভমেন্ট থাকবে না।’’

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তামিম বলে আসছিলেন নির্বাচনের স্বচ্ছতার কথা। আজও একই কথা বললেন তিনি, ‘‘যেহেতু আমরা ইলেকশন নিয়ে এত কথা বলেছি, আমার আন্ডারে আমি যতটুকু পারি ফেয়ারনেস রেখে ইলেকশন করা সম্ভব; ওই ইলেকশন করছি। আমরা ইলেকশনকে ইলেকশনের মতো ট্রিট করব। ইলেকশন যতটুকু ফেয়ার হতে পারে অতটুকু হবে।’’

পরিচালক পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া তামিমকে ভোটের জন্য কনভিন্স করতে হবে ভোটারদেরও। প্রথমবার এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হবে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ককে। যা নিয়ে তামিম নিজেও কিছুটা রোমাঞ্চিত, ‘‘আমার ভিশনটা তাদের সাথে শেয়ার করতে হবে। কিছু দিনে কিছুটা হলেও আশা করি তারাও বুঝছেন যে আমি কোন লাইনে কাজ করতে চাই না চাই। তাদেরও একটু হলেও আইডিয়া থাকবে যেটা আমার একটা অ্যাডভান্টেজ। আমি এটা অস্বীকার করব না।’’

‘‘বাট এই অ্যাডভান্টেজ কোনো সময় কাজে আসবে না তখনই যখন এটা ভোটিংয়ে এসে যায়। সো আমাকে এক্সাক্টলি ওইভাবে করে উনাদের সাথে মিশতে হবে, মিশে উনাদেরকে বুঝাতে হবে যে একচুয়ালি হোয়াট আই থিংক এবাউট বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যান্ড হোয়াট মাই প্ল্যানস আর।’’