প্রায় দুই দশক ধরে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন দলের কোচিং করিয়েছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। জাতীয় দলেও যুক্ত হয়েছিলেন ফিল্ডিং কোচ হিসেবে, ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত। ছিলেন বিকেএসপির কোচও।
২০২৪ সালের নভেম্বরে বিসিবি তাকে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়। সেই থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা বেতনে এই ভূমিকায় কাজ করে আসছিলেন সালাহউদ্দিন। বিসিবির বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল বিসিবির হাই পারফরম্যান্স স্কোয়াডের কোচ হিসেবে তাকে কাজ করার প্রস্তাব দিলে লুফে নেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজটিই ছিল তার শেষ অ্যাসাইনমেন্ট। যেখানে সফলতার সঙ্গে উতরে গেছেন।
ঈদের পরপরই সালাহউদ্দিন নতুন ভূমিকায় নতুন উদ্যোমে কাজে নামবেন। জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুমিনুল হকের বিশ্বাস নতুন ভূমিকাতেও তাদের প্রিয় সালাহউদ্দিন স্যার সাফল্যের শেখড়ে পৌঁছবেন। শুধু তাই নয়, নতুনরাও এই কোচের সান্নিধ্যে হয়ে উঠবে দু্যতিময়, ‘‘সদ্য সমাপ্ত পাকিস্তান সিরিজটা হোয়াইটওয়াশ দিয়ে শেষ করতে পারাটা আমাদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি আপনার জন্যও সুন্দর এক বিদায়। এবার নতুন দায়িত্ব হাই পারফরম্যান্স বিভাগে। আশা করি, সেখানে যারা আপনার সান্নিধ্যে কাজ করবে, তারাও আমার মতো অনেক কিছু শিখবে।’’
জাতীয় দলে সালাহউদ্দিনের সঙ্গে কাটানো সময়গুলোকে মনে করে মুমিনুল লিখেছেন, ‘‘জাতীয় দলে অনেক কোচের সঙ্গেই কাজ করার সুযোগ হয়। কিন্তু খুব কম মানুষই আছেন, যাদের উপস্থিতি শুধু ক্রিকেট শেখায় না, মানসিকভাবেও একজন খেলোয়াড়কে বদলে দেয়। সালাহউদ্দিন স্যার আমার কাছে তাদেরই একজন। সেই বিকেএসপির সময় থেকেই আপনি আমার ক্যারিয়ারে একজন অভিভাবকের ভূমিকা পালন করে এসেছেন।’’
ছোট-ছোট কাজগুলোকে যেভাবে কোচ শুধরে দিতেন, সহজভাব বুঝিয়ে দিতেন সব কিছুর জন্য মুমিনুলের কৃতজ্ঞতা, ‘‘আপনার সাথেই আবার জাতীয় দলে কাজ করার সুযোগটা আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম সৌভাগ্যের অধ্যায় হয়ে থাকবে। ছোট ছোট বিষয় নিয়েও যেভাবে আপনি কাজ করতেন, খেলাটাকে যেভাবে সহজ করে বুঝিয়ে দিতেন, তা একজন ক্রিকেটারের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেয়।’’