জাতীয়

পশু কোরবানি শেষে রাজধানীতে চলছে বর্জ্য অপসারণ

রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। ঈদুল আজহার আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ উভয় সিটি করপোরেশনের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর পর্যন্ত দেখা যায়, পশু কোরবানির পরপরই নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় একযোগে বর্জ্য অপসারণের কার্যক্রম চলছে।

রাজধানীর ধানমন্ডি, রামপুরা, মতিঝিল, উত্তরা ও লালবাগ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনের ক্লিনাররা পিকআপভ্যান ও ঠেলাগাড়ি নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানির পশুর বর্জ্য সংগ্রহ করছেন। বর্জ্যগুলো সংগ্রহের পর তা দ্রুততার সঙ্গে ছোট ছোট ভ্যান থেকে বড় বড় ডাম্পিং ট্রাকে স্থানান্তর করে নির্দিষ্ট সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) নেওয়া হচ্ছে।

দুই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদুল আজহার পবিত্রতা রক্ষায় এবং পরিবেশ দূষণ রোধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকির জন্য করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মাঠে রয়েছেন।

পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নাগরিকদের পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারসহ সিটি করপোরেশনকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে নগর কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার পাশাপাশি পরিবেশসম্মত উপায়ে কোরবানির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, “ডিএসসিসি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধনের পর থেকে পরবর্তী ৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম দিনের কোরবানির সব বর্জ্য ল্যান্ডফিলে অপসারিত হবে।”

তিনি বৃহস্পতিবার রাত ৯টার মধ্যেই পুরো ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকা কোরবানির বর্জ্যমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানীর কলাবাগান সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) থেকে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তরের মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল আজহার কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।