রাজনীতি

‘অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের টাকায় ৭৭টি আসন কিনেছে জামায়াত-এনসিপি’

বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উন্নয়ন বরাদ্দের নামে দেওয়া অর্থ ব্যবহার করে জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনে সুবিধা নিয়েছে এবং এভাবেই তারা ৭৭টি আসন পেয়েছে।

সোমবার (১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

রাশেদ খান বলেন, “গতকাল জামায়াত নেতা তাহের ভাই বলেছেন, তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিজ আসনের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে গেছেন। ঠিক এভাবে জামায়াত-এনসিপির নেতাদের নির্বাচন করার জন্য কোটি কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়েছিলো অন্তর্বর্তী সরকার। এজন্য বলি, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াত-এনসিপিকে জেতাতে এভাবেই উন্নয়ন বরাদ্দের নামে ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন।”

পোস্টে তিনি আরো বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জেলা পরিষদের তহবিল থেকে দেবিদ্বার উপজেলার উন্নয়নের জন্য কেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ১০ কোটি টাকা পেলো? তিনি কি সেসময় উপদেষ্টা ছিলেন নাকি সরকারের কোন পদে ছিলেন? যেহেতু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে ছিল, দেশের সকল উপজেলায় সমানভাবে উন্নয়ন করা সরকার সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু নিরপেক্ষ সরকার কিভাবে রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে এই উন্নয়ন বরাদ্দ দিল? আর যদি বরাদ্দ রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে দিতে হয়, তবে বিএনপি-গণঅধিকার পরিষদের নেতারা কেন পেলো না?”

রাশেদ খানের ভাষ্য, “তাহের-হাসনাত সাহেবরা নির্বাচনের ক্যাম্পেইন এতগুলো সেল করতে পেরেছেন। কিন্তু অন্যদলের নেতারা পারে নাই। এজন্যই অতীতে সর্বোচ্চ ১৮ আসন পাওয়া দল এবার অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের টাকায় ৭৭টি আসন কিনতে পেরেছেন!”

বিএনপির এই নেতা আরো উল্লেখ করেন, “অন্য উপজেলাগুলোকে ঠকিয়ে শুধুমাত্র নিজের এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দের টাকা নিয়ে গিয়ে তাহের-হাসনাত-আসিফ সাহেবরা বড় ধরনের বৈষম্য, দুর্নীতি ও অপরাধ করেছেন। এটি ক্ষমার অযোগ্য। অথচ জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ফেসবুকে নির্লজ্জের মতো হিসাব দেয় শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে চাওয়া হাসনাতরা। রাজনৈতিক নেতার মাধ্যমে এমন বরাদ্দ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অন্যায় করেছে। এদের ১৮ মাসের তদন্ত ও বিচার হওয়া জরুরি।”