জাতীয়

গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট, ঘাটতি নেই 

সেচ ও গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটে উঠে যায়। তবে, এ চাহিদা মেটাতে এখন কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

রবিবার (৭ মে) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মো. আবুল কালাম এমপির প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রী জানান, গরম ও সেচ মৌসুমে দৈনিক চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি থাকে। বর্তমানে সে অনুযায়ী বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। কিন্তু জ্বালানি সংকট, সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের সীমাবদ্ধতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ঝড়-বৃষ্টির কারণে পিক আওয়ারে মাঝে-মধ্যে বিভ্রাট হয়। তখন মানসম্মত সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়।

বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা চলছে। উৎপাদনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামো বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবহার ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে গ্রাহকদের সচেতন করতে লিফলেট, এসএমএস ও ভিডিও প্রচার চলছে। হলি ডে স্ট্যাগারিং, ডিমান্ড সাইড ও সাপ্লাই সাইড ম্যানেজমেন্ট চালু আছে।”

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।