মৎস্য খাতে ঝুঁকি কমাতে প্রথমবারের মতো মৎস্য বিমা চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, দেশের ১৫ লাখ জেলে পরিবারকে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে জাতীয় অগ্রাধিকার খাত ঘোষণা করা হয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকৃত জেলেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘জাল যার, জলা তার’ নীতির ভিত্তিতে জলমহাল, হাওর ও উপকূলীয় খাল স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক জেলেদের জীবিকা নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
১৫ লাখ জেলে পরিবারকে ভিজিএফ সুবিধার আওতায় এনে খাদ্য সহায়তা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। মৎস্যচাষিদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও উৎপাদন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দিতে দেশে প্রথমবারের মতো মৎস্য বিমা স্কিম চালুর কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক মৎস্য খামারের যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
হাঁস-মুরগি ও মৎস্য খামারের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত পশুখাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে মোট ৪৩ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা জিডিপির ০.৬৩ শতাংশ।